UA-199656512-1
top of page

*#DEMOCRATIC_NITYANANDA।* (#পর্ব_০১) (চলবে)


*#DEMOCRATIC_NITYANANDA।* (#পর্ব_০১)


"গৌড়বঙ্গে বৈষ্ণবধর্ম প্রচারে যাঁর ব্যক্তিত্ব ও কৃতিত্ব সর্বাধিক গৌরবপূর্ণ, তিনি আমাদের প্রাণের প্রাণ শ্রীপ্রভুনিত্যানন্দ ৷


আপামর জনসাধারণের মধ্যে কৃষ্ণনাম প্রচার ও শ্রীচৈতন্যদেবের গুণ-কীর্তন শ্রীনিত্যানন্দ ভিন্ন অন্য কারো দ্বারা সম্ভব হত না ৷ অবধুত সম্প্রদায় প্রব্রজ্যা নিয়ে যেমন ইচ্ছা বিচরণ করতে পারেন, তেমনি ইচ্ছা হলে বিবাহ করে সংসার ধর্ম পালন করতে পারেন ৷ মহাপ্রভুর এই লীলার পিছনে একটিই কারণ যে, মহাপ্রভুর দেখাদেখি ভগবৎ প্রাপ্তির জন্য সকলে সন্ন্যাস নিতে থাকলে গৃহস্থাশ্রম ধ্বংস হতে পারে ৷ গৃহে থেকেও ভগবানের সাধন ভজন সম্ভব এবং ভগবৎ প্রাপ্তি সম্ভব। সেই শিক্ষা দেবার জন্যই মহাপ্রভু এই লীলা করেছিলেন ৷ প্রভু নিত্যানন্দকে করুণার সাগর বলা হয়ে থাকে, তিনি দয়াল,তিনি করুণা না করলে গৌর কৃপা প্রাপ্তি হয় না ৷ তাই সর্বাগ্রে নিতাই চাঁদের ভজন আবশ্যক ৷"

"আমরা ভাগবতের তৃতীয় স্কন্ধে ভগবান কপিলের উপদেশে পাই- "মহতাং বহুমানেন দীনানামনুকম্পয়া ৷ মৈত্র্যা চৈবাত্মতুল্যেষু যমেন নিয়মেন চ॥

দীনজনে দয়া প্রদর্শন,সমকক্ষ ব্যক্তির প্রতি সখ্যভাব,যম নিয়মাদির পালন ৷ অচেতন পদার্থের চেয়ে সচেতন জীব শ্রেষ্ঠ,জীবের মধ্যে দ্বিপদ প্রাণী শ্রেষ্ঠ,দ্বিপদ প্রাণীর মধ্যে মানুষ শ্রেষ্ঠ,মানুষের মধ্যে সমদর্শী মানুষ শ্রেষ্ঠ ভগবান কপিলের উপদেশ ৷

মহৎ ব্যক্তিদের সস্মান, সমকক্ষ ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যতা ও দীনজনে দয়া দেখানো উচিত ৷ ভক্তশ্রেষ্ঠ উদ্ধব ও ভগবানকে "নারায়ণং নরসখং" বলে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ৷ ভগবান শুধু নারায়ণ নয়, তিনি মানুষের সুহৃদ, মানবসেবাই তাঁর সেবা ৷ তাই মানুষকে নারায়ণ জ্ঞানে সেবায় প্রবৃত্ত ছিলেন শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু ৷ তাই স্বচ্ছন্দে বলা যায় নিত্যানন্দ ছাড়া শ্রীচেতন্যদেব অসম্পূর্ণ ৷"


"নিত্যানন্দের আবির্ভাব সাড়া জাগিয়েছিল সমাজের বুকে ৷ নাহলে ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ কিভাবে জেগে উঠতে পারেন গণপ্রতিরোধে ? এই আশ্চর্য ঘটনার সাক্ষী মধ্যযুগের অন্ধ বিশ্বাস ৷ সাক্ষী আছে বৈষ্ণবধর্মকে সর্বজনীন মানবধর্মে উত্তরণের প্রয়াস নিত্যানন্দের ৷ জাতহারানো বহু মানুষ তাঁর কৃপায় মুক্তির পথ পেয়েছিল,তাই যোগ্য নেতার হাতে ধর্মপ্রচারের ভার দিয়ে নিশ্চিন্ত ছিলেন শ্রীচৈতন্যমহাপ্রভু ৷ রামের মত কোমল হৃদয়ে তিনি যখন কাঁদছেন, লক্ষণের মত বলবীর্য দেখাচ্ছেন শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু ৷ সেই সামাজিক পরিবেশে এরকম দৃঢ়চিত্ত সন্ন্যাসীর প্রয়োজন ছিল ৷ সংকীর্তনের মাধ্যমে জনসংযোগের ব্যবস্থা ছিল শ্রীনিত্যানন্দের ৷ তিনি এসেছিলেন ইসলামী আক্রমণে বিধ্বস্ত জাতির পরিত্রাতা রূপে- সার্বিক বিনষ্টির অতলান্ত অন্ধকারে তীব্র মশাল সেই বীরসিংহকে আমরা দেখতে পাই, যিনি জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ডের মত ছুটছেন ৷ সবার পিছে, সবার নীচে , সর্বহারাদের মাঝে, তিনি পরম আশ্রয় আতুরজনের ৷ আচণ্ডালে কৃপা বিতরণ করছেন নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ৷ সংখ্যাগুরু পতিত মানুষ তাঁকে মাথায় করে নিয়েছিল ৷ অবধূতসূলভ কিছু বিচিত্র ব্যবহার সত্ত্বেও তিনি ছিলেন গৌরাঙ্গের কাছে গণনায়ক- "আমার দ্বিতীয় নাই,নিত্যানন্দ বই ৷"

তিনি "ব্রহ্মা-বন্দ্য" ৷ তাই তো শ্রীনরহরি চক্রবর্তী তাঁর ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থে লিখলেন,- "চৈতন্যের এক দেহ নিত্যানন্দ বলরাম ৷"

"#সব_মানুষকে_তিনি (নিত্যানন্দ) দেবতা করে নেবেন,এই তাঁর খেলা, এরজন্য প্রয়োজন ত্যাগ,তপস্যা ও সাধনার ৷ এরজন্য প্রয়োজন জীবকে শিব জ্ঞানে সেবা।দয়া নয়, সেবা ৷

গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের মূল কথা হল জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে মানবসেবা ৷ এই মানবসেবা ও নামগানের শ্রেষ্ঠ উদ্গাতা হলেন শ্রীনিত্যানন্দ ৷ তিনি অবধূত- চার আশ্রমেরও উর্ধ্বে ৷ তাঁর ব্যক্তিগতজীবন রহস্যপূর্ণ,সাধারণের দৃষ্টিতে অদ্ভুত, কিন্তু তাঁর মানবসেবায় কোন খাদ ছিল না ৷ তাঁর প্রধান অস্ত্র ক্ষমা ও মানবপ্রীতি নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরেছেন,তত্ত্ব থেকে মুক্ত করেছেন জলধারাকে,তিনি ভগীরথ ৷ শ্রীনিত্যানন্দ চৈতন্যধর্মকে জনগণের সেবায় লাগিয়েছেন ৷ শ্রীনিত্যানন্দ জগাই-মাধাই-এর মত দুর্বৃত্তকেও তিনি সংহার করেছেন ক্ষমার অস্ত্রে-"আবার সমর্থ হয়েছেন শ্রীগৌরাঙ্গের ক্ষমা আদায়ে"৷

এ কী কম কথা! এই দুই পাষণ্ডের জীবন-পরিবর্তনের সূচনায় শ্রীনিত্যানন্দের ভাবী কর্মকাণ্ডের আভাস পাওয়া যায়৷"

"#মহাপ্রভু_১৫১৬_খৃষ্টাব্দেই শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুকে সত্ত্বর নবদ্বীপে গিয়ে প্রচার আরম্ভ করার নির্দেশ দিলেন- "মূর্খ নীচ পতিত দুঃখিত যত জন ৷ ভক্তি দিয়া কর গিয়া সভার মোচন॥" (চৈ,ভা,অন্ত্য)

প্রচারের সাফল্যের জন্য শ্রীনিত্যুনন্দপ্রভুই প্রথমে রাঢ়ে ও গৌড়ে মহাপ্রভুর মূর্ত্তি গড়ে ঘরে ঘরে পূজা করবার আদেশ দেন ও ব্যবস্থা করেন ৷ মহাপ্রভুর জীবিতকালেই নিত্যানন্দপ্রভু এটি করেছিলেন, বৈষ্ণব সাধারণের মধ্যে আজও যে শ্রীগৌরাঙ্গের মূর্ত্তি পূজার প্রচলন আছে, প্রচারব্যপদেশে এই প্রথার প্রবর্ত্তক শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুই ৷

তিনি পাণিহাটিকে কেন্দ্র করে প্রথম প্রচার আরম্ভ করলেন-"আগে পাণিহাটী আর আক্না মহেশ ৷

পূণ্যভূমি সপ্তগ্রাম ধন্য রাঢ় দেশ॥(চৈতন্যমঙ্গল)৷"


"#কিরূপ_বেশে_শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু

প্রচার আরম্ভ করলেন?

-যোদ্ধৃবেশে, যেন যুদ্ধে চলেছেন, সোনা,মণিমাণিক্যের,অলঙ্কারাদি পরিধান করেছেন, সন্ন্যাসীর আচার-ব্যবহারই শুধু নয়, সন্ন্যাসীর বেশও পরিত্যাগ করেছেন- "'মহামল্ল বেশ ধরে অবধূত রায়ে ৷

সুবর্ণ বৈদুর্য্য বিক্রম মুক্তাদাম ৷

ত্রৈলোক্য সুন্দর রূপ দেখি অনুপাম॥

গ্রামে গ্রামে নগরে সেবক প্রতি ঘরে ৷ চৈতন্য আনন্দে নিত্যানন্দ নৃত্য করে॥ (চৈতন্যমঙ্গল বিজয়খণ্ড) নিত্যানন্দপ্রভু নৃত্য করেছিলেন যথা-রামদাস,মুরারি, চৈতন্য দাস,

সুন্দরানন্দ,পরমেশ্বর দাস, কালিয়া,কৃষ্ণদাস,কমলাকর পিপ্পলাই , গৌরীদাস পণ্ডিত,ধনঞ্জয় পণ্ডিত,পুরন্দর পণ্ডিত,কৃষ্ণদাস, পুরুষোত্তম দাস, শ্রীআচার্য্যচন্দ্র,মাধবানন্দ; এবং বাসুদেব ঘোষ,রঘুনন্দন, নরহরি দাস, বংশীবদন,পরমানন্দ গুপ্ত, রঘুনাথ পুরী,পরমানন্দ উপাধ্যায়,

নন্দন আচার্য্য, উদ্ধারণ দত্ত, চিরঞ্জীব, কৃষ্ণদাস, দেবানন্দ, মহানন্দ,নারায়ণ,গঙ্গাদাস পণ্ডিত, জগদীশ,হিরণ্য, পুরুষোত্তম দত্ত, শ্রীজীব, মকরধ্বজ ইত্যাদি ইত্যাদি- ব্রাহ্মণ,বৈদ্য,কায়স্থ,সুবর্ণবণিক,

প্রভৃতি জাতিতে মিলে শ্রীচৈতন্যদেবের নামাঙ্কিত বৈষ্ণবধর্মের আবরণে,শ্রীনিত্যানন্দের অধীনে বিরাট বৈষ্ণব সমাজ গঠিত হয়েছিল ৷ ষোড়শ শতাব্দীর প্রথমার্দ্ধে এটি শ্রীনিত্যানন্দেরই প্রচারের পরিপক্ক ফল, এই বৈষ্ণব সমাজে সেদিন জাতিভেদ ছিল না- "'বৈষ্ণবের জাতি বুদ্ধি যেই জন করে ৷

কোটি জন্ম অধম যোনিতে ডুবি মরে॥"(চৈ,ভা,) মহাপ্রভুর এই অঙ্গীকার শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন।


কথিত আছে শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু একদিনে ষাট হাজার বৌদ্ধ ন্যাড়া-নেড়ীকে দীক্ষা দিয়ে বৈষ্ণব সমাজের অন্তর্ভূক্ত করেছিলেন, শ্রীপাট-খড়দহে এই শুদ্ধিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল ৷ শ্রীনিত্যানন্দের প্রচারের কেন্দ্র নবদ্বীপে না হয়ে হল শ্রীপাট-পাণিহাটি ও শ্রীপাট-খড়দহে ৷ এই যবন-চণ্ডাল-ব্রাহ্মণ এবং বাংলার সমস্ত জাতিকে একত্র করে যে সামাজিক-সাম্যবাদের প্রচার শ্রীনিত্যানন্দ করেছিলেন-ব্রাহ্মণ প্রধান নবদ্বীপে থেকে তা সহজ হত না,তা তিনি বিশেষভাবে অনুধাবন করেছিলেন ৷ নিত্যানন্দপ্রভু সোনার খট্টায় বসেছিলেন,কুণ্ডল, মণিমাণিক্য, অলঙ্কারাদিও কিছু ধারণ করেছিলেন, গৃহী মহাপ্রভুর অভিষেক অপেক্ষা অবধূত সন্ন্যাসী নিত্যানন্দের অভিষেকে রাজসিকতা অনেক বেশী ছিল,এই অভিষেক আর কিছুই নয়, সর্ব্বসস্মতিক্রমে প্রচারের নেতৃত্ব গ্রহণ ৷ শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু এই নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন ৷ মহাপ্রভু নিজমুখে নিত্যানন্দ প্রভুকে বলেছিলেন-"শ্রীপাদ তোমার গৌড়রাজ্যে কারো নাহি অধিকার৷" শ্রীনিত্যানন্দ তুমুল সংকীর্ত্তন আরম্ভ করলেন, মহোৎসব করতে লাগলেন,ছত্রিশ জাতি একপংক্তিতে বসিয়ে ভোজন করালেন,পাণিহাটীতে নিত্যানন্দপ্রভু রঘুনাথ দাসকে দিয়ে চিড়া-মহোৎসব আরম্ভ করালেন-"চিড়াদধি মহোৎসব খ্যাত নাম যার ৷"

ইতিহাসে স্মরণীয় চিড়া-মহোৎসবে নিত্যানন্দপ্রভু এক অলৌকিক কার্য্য করেছিলেন,তিনি ধ্যানে মহাপ্রভুকে নীলাচল হতে সশরীরে এই চিড়া-মহোৎসবে এনেছিলেন-"'সকল লোকের চিড়া সম্পূর্ণ যবে হৈল ৷

ধ্যানে তবে প্রভু মহাপ্রভুরে আনিল ॥ মহাপ্রভু আইলা দেখি নিতাই উঠিলা ৷

তাঁরে লঞা সবা চিড়া দেখিতে লাগিলা ॥ সকল কুণ্ডি হোলনার চিড়া এক এক গ্রাস ৷

মহাপ্রভু মুখে দেন করি পরিহাস॥

হাসি মহাপ্রভু আর এক গ্রাস লৈয়া ৷

তাঁর মুখে দিয়া খাওয়ান হাসিয়া হাসিয়া॥

এইমত নিত্যানন্দ বেড়ায় সকল মণ্ডলে।

দাণ্ডাইয়া রঙ্গ দেখে বৈষ্ণব সকলে॥"(চৈ,চ,৩/৬/৭৬-৮০)

মহাপ্রভু যে সশরীরে চিড়া-মহোৎসবে এসেছিলেন, তা সকলে দেখিতে পান নাই—"'কি করিয়া বেড়ায়,ইঁহো কেহ নাহি জানে ৷ মহাপ্রভু দর্শন পায় কোন ভাগ্যবানে ৷৷" (চৈ,চ,৩/৬/৮১)

নিত্যানন্দপ্রভুর এই চিড়া-মহোৎসব পংক্তিভোজে হিন্দু সমাজের জাতিভেদ-প্রথা লোপ পেতে শুরু করেছিল ৷

অন্তঃকৃষ্ণ বহির্গৌর শ্রীচৈতন্য রাধাভাবে ভাবিত হয়ে কৃষ্ণ বিরহে সারাজীবন প্রেমাশ্রু বিসর্জন করেছেন, পক্ষান্তরে তাঁর প্রধান সহায়ক অনন্তদেব বলরামের অবতার শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু কৃষ্ণবিরহে তত অশ্রু বিসর্জন করেন নি, করেছেন নীচ-জাতি,অজ্ঞ, মুচি-মেথরের জন্যে ৷ হিন্দু-মুসলমানের সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধিতে খণ্ডিত এই বাংলায় বৈষ্ণবধর্ম প্রসার সহজ হত না, যদি না শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু তাঁর পাশে থাকতেন ৷ প্রকৃতপক্ষে তাঁরই চেষ্টায় ও সাধনায় বৈষ্ণবধর্ম দৃঢ়মূল হল এই রাঢ়ভূমিতে তথা বাংলায় ৷

"#পতিতেরে_নিরখিয়া_দুই_বাহু পশারিয়া; আইস আইস বলি দেয় ক্রোড়"'—এটাই নিত্যানন্দ-চরিত্রের বিশেষত্ব৷ ষোড়শ শতাব্দীর প্রথমার্দ্ধে মহাপ্রভুর জীবিতকালেই, ভাগবতে যাকে বলে "#অকিঞ্চন_সমরস"'—শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু গৌড় ও রাঢ়ে তাই-ই আচণ্ডালে প্রচার করেছেন ৷ *ডেমোক্র্যাসী*(Democracy) যদি একটা রস হয়, তবে শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর গুণাবলী তার নামই *অকিঞ্চন সমরস* , এবং শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুই বাঙলার ইতিহাসের সর্ব্বশ্রেষ্ঠ *ডেমোক্র্যাট*৷ মহাপ্রভু দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে সপ্তদশ শতাব্দীতে বৃন্দাবনের গোস্বামীগণ(শ্রীরূপ,শ্রীসনাতন, শ্রীজীব) প্রচার করেছিলেন-*#যুগলরস* - আর ষোড়শ শতাব্দীতে শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু প্রচার করেন *অকিঞ্চন_সমরস* পতিত উদ্ধার ৷ এই দুটি ধারা পর-পর বাঙলাদেশে এসে মিলিত হয়ে মহাপ্রভুর নামাঙ্কিত গৌড়ীয়-বৈষ্ণবধর্ম নামে প্রাচারিত হয়েছে ৷ শুধুমাত্র *যুগলরস* বৈষ্ণবধর্ম নয়, এর সঙ্গে *অকিঞ্চন_সমরস* (পতিত উদ্ধার) থাকতে হবে ৷

*নচেৎ গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম্ম অসম্পূর্ণ*।।

*জয় নিতাই গৌরহরি।।*

17 views0 comments
Be Inspired
bottom of page